ষাট বছরের এক কড়াই
দাদার হাতে যে দোকান শুরু হয়েছিল, সেখানে দিনে বিক্রি হতো মাত্র পাঁচ কেজি রসগোল্লা। এখন উৎসবের দিনে সংখ্যাটা কয়েকশো কেজি হলেও আমরা কারখানা বানাইনি। মিষ্টি এখনো হাতে গড়া হয়, ছানা এখনো প্রতিদিন সকালে কাটা হয়, আর যে মিষ্টি সেদিন বিক্রি হয় না তা পরদিন কাউন্টারে ওঠে না।
পুরান ঢাকার ছোট এক দোকান থেকে ১৯৬২ সালে শুরু। আজও একই কড়াই, একই পাকের হিসাব আর একই কারিগর পরিবার।
- প্রতিষ্ঠিত১৯৬২
- দোকানের ঠিকানাবাসুদেবপুর বাজার,নলডাঙা,নাটোর
- খোলার সময়প্রতিদিন সকাল ৮টা - রাত ১০টা
- ডেলিভারিঢাকা শহরের ভেতরে ২ ঘণ্টায়, ঢাকার বাইরে কুরিয়ারে পরদিন
একটি রসগোল্লা যেভাবে তৈরি হয়
চারটি জিনিস আমরা ষাট বছরে একবারও বদলাইনি
দুধ ও ছানা
ভোরে খামার থেকে দুধ আসে। জ্বাল দিয়ে লেবুর রসে ছানা কাটা হয়, তারপর ভারী পাথর চাপা দিয়ে পানি ঝরানো হয়।
মাখা ও গড়া
ছানা হাতের তালুতে মাখা হয় যতক্ষণ না মাখনের মতো নরম হয়। তারপর একটি একটি করে হাতে গোল করা হয়।
রসে ফোটানো
চিনির পাতলা রস টগবগ করে ফুটতে থাকে, তাতে ছানার গোল্লা ছাড়া হয়। ফুলে দ্বিগুণ হলে নামানো হয়।
ঠান্ডা ও পরিবেশন
রসেই ঠান্ডা হতে দেওয়া হয়, যাতে ভিতর পর্যন্ত রস ঢোকে। সেদিনই কাউন্টারে ওঠে, সেদিনই বিক্রি।
কেন আমাদের মিষ্টি আলাদা
- যেদিন তৈরি, সেদিনই বিক্রি — বাসি মিষ্টি ফ্রিজে রেখে দেওয়া হয় না।
- দুধ ও ছানার হিসাব খাতায় লেখা থাকে, চাইলে দেখাতে পারি।
- মিষ্টি পছন্দ না হলে ফোন করলেই বদলে দেওয়া বা টাকা ফেরত।
- উৎসবেও দাম বাড়ানো হয় না, তালিকার দামেই বিক্রি।
অনুষ্ঠানের জন্য অনেক মিষ্টি লাগবে
বিয়ে, গায়ে হলুদ, জন্মদিন বা অফিসের অনুষ্ঠান — পরিমাণ বললে আমরা দাম ও সময় জানিয়ে দেব।